এর মধ্যে ৪২টির ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে রয়েছে বলে কোম্পানিগুলোর নিরীক্ষকের মতামতে উঠে এসেছে। মূলত আর্থিক দুর্বলতা, ঋণের বোঝা এবং উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণে কোম্পানিগুলো অস্তিত্ব সংকটে রয়েছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) পক্ষ থেকে নিয়মিতভাবে নিরীক্ষকের মতামতের ভিত্তিতে ব্যবসায়িকভাবে ঝুঁকির মুখে থাকা কোম্পানিগুলোর তালিকা প্রকাশ করা হয়।
ঝুঁকিতে থাকা কোম্পানিগুলোর মধ্যে আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতের নয়টি কোম্পানি রয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি, ফারইস্ট ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড, ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড, জিএসপি ফাইন্যান্স কোম্পানি (বাংলাদেশ) পিএলসি, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স লিমিটেড ও প্রাইম ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড।
বস্ত্র ও পোশাক খাতের নয়টি কোম্পানি রয়েছে এ তালিকায়। কোম্পানিগুলো হচ্ছে অলটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, আনলিমা ইয়ার্ন ডায়িং লিমিটেড, দ্য ঢাকা ডায়িং অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানি, দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড, মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড, সাফকো স্পিনিংস মিলস লিমিটেড, সোনারগাঁও টেক্সটাইলস লিমিটেড ও তাল্লু স্পিনিং মিলস লিমিটেড।
খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতের ছয় কোম্পানির মধ্যে রয়েছে বিডি থাই ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ন্যাশনাল টি কোম্পানি লিমিটেড, শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড ও জিল বাংলা সুগার মিলস লিমিটেড। জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতেরও চারটি কোম্পানি এ তালিকায় রয়েছে। এগুলো হচ্ছে বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, ডরিন পাওয়ার জেনারেশনস অ্যান্ড সিস্টেমস লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড ও জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড।
ব্যাংক খাতের তিনটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠান এ তালিকায় রয়েছে। সেগুলো হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক লিমিটেড ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। তালিকায় থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের তিন কোম্পানি হচ্ছে সেন্ট্রাল ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, গ্লোবাল হেভি কেমিক্যালস লিমিটেড ও ইন্দো-বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।
এছাড়া অন্যান্য খাতের মধ্যে প্রকৌশল খাতের আজিজ পাইপস লিমিটেড; সিমেন্ট খাতের মেঘনা সিমেন্ট মিলস পিএলসি, বিবিধ খাতের উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড ও খান ব্রাদার্স পিপি ওভেন ব্যাগ ইন্ডাস্ট্রিজ, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ইনটেক লিমিটেড; পাট খাতের জুট স্পিনার্স লিমিটেড, বীমা খাতের সানলাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড এবং ভ্রমণ ও অবকাশ খাতের বাংলাদেশ সার্ভিসেস লিমিটেড রয়েছে।
তাছাড়া ডিএসইর কর্মকর্তাদের পরিদর্শনে যেসব কোম্পানির কারখানা ও কার্যালয় বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর তালিকাও নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে। বর্তমানে উৎপাদন ও কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে এমন কোম্পানির সংখ্যা ৩২। এর মধ্যে নিরীক্ষকের মতামতের ভিত্তিতে ব্যবসায়িক ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে থাকা ১১ কোম্পানিও রয়েছে। এগুলো হচ্ছে আজিজ পাইপস লিমিটেড, বারাকা পাওয়ার লিমিটেড, দুলামিয়া কটন স্পিনিং মিলস লিমিটেড, জিবিবি পাওয়ার লিমিটেড, খুলনা পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড, মেঘনা কনডেন্সড মিল্ক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মেঘনা পেট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, মেট্রো স্পিনিং লিমিটেড, মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড, শ্যামপুর সুগার মিলস লিমিটেড ও উসমানিয়া গ্লাস শিট ফ্যাক্টরি লিমিটেড।
এর বাইরে উৎপাদন বন্ধ থাকা বাকি ২১ কোম্পানি হচ্ছে অ্যাপোলো ইস্পাত কমপ্লেক্স লিমিটেড, আরামিট সিমেন্ট লিমিটেড, বাংলাদেশ ওয়েল্ডিং ইলেকট্রোডস লিমিটেড, এমারাল্ড অয়েল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, ফ্যামিলিটেক্স (বিডি) লিমিটেড, জেনারেশন নেক্সট ফ্যাশনস লিমিটেড, হামিদ ফ্যাব্রিকস পিএলসি, খুলনা প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিং লিমিটেড, নিউ লাইন ক্লদিংস লিমিটেড, নর্দার্ন জুট ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেড, নুরানী ডায়িং অ্যান্ড সোয়েটার লিমিটেড, প্যাসিফিক ডেনিমস লিমিটেড, প্রাইম টেক্সটাইল স্পিনিং মিলস লিমিটেড, রহিমা ফুড করপোরেশন লিমিটেড, রতনপুর স্টিল রি-রোলিং মিলস লিমিটেড, রিজেন্ট টেক্সটাইল মিলস লিমিটেড, সুহৃদ ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, স্ট্যান্ডার্ড সিরামিকস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, তুং হাই নিটিং অ্যান্ড ডায়িং লিমিটেড, ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড ও জাহিন স্পিনিং পিএলসি।